বন্দরে পৌঁছাবে শুক্রবার

১৩ হাজার পাম তেল নিয়ে আসছে ‘এমটি সুমাত্রা পাম’

86
 নিজস্ব প্রতিবেদক |  বৃহস্পতিবার, মে ৫, ২০২২ |  ৩:৩৪ অপরাহ্ণ
এমটি সুমাত্রা পাম
ফাইল ছবি
       
Advertisement

তের হাজার পাম তেল নিয়ে‘ এমটি সুমাত্রা পাম’ নামের একটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেছে। ইন্দোনেশিয়ান পতাকাবাহী জাহাজটি গত ২৭ এপ্রিল রওয়ানা হয়। আগামীকাল ৬ মে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছার কথা রয়েছে।

টিকে গ্রুপ এসব পাম অয়েল আমদানি করেছে বলে জানা গেছে। ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে পাম তেল রপ্তানিতে ইন্দোনেশিয়ান সরকারের নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগের দিন জাহাজটি চট্টগ্রাম বন্দরের উদ্দেশ্যে ইন্দোনেশিয়ার লুবুক গেয়াং বন্দর ত্যাগ করে।

Advertisement

জাহাজটির বাংলাদেশে লোকাল এজেন্ট মোহাম্মদী ট্রেডিং কোম্পানি লিমিটেডের জেনারেল ম্যানেজার কাজী আবু নাঈম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

চট্টগ্রাম কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ইন্দোনেশিয়ান সরকারের নিষেধাজ্ঞার আগে এপ্রিল মাসেই প্রায় এক লাখ ২০ হাজার টন পাম অয়েল আমদানি করে দেশের শীর্ষ আমদানিকারকরা। বাংলাদেশে বছরে প্রায় ১৩ লাখ টন পাম অয়ে আমদানি হয়। এর মধ্যে ৯০ শতাংশ আমদানি হয় ইন্দোনেশিয়া থেকে। বাকি ১০ শতাংশ আসে মালয়েশিয়া থেকে।

ইন্দোনেশিয়া বিশ্বের শীর্ষ পাম অয়েল রপ্তানিকারী দেশ। বাংলাদেশে পাম অয়েল আমদানির ৯০ শতাংশ আমদানি হয়ে থাকে দেশটি থেকে। গত ২৮ এপ্রিল মধ্যরাত থেকে পাম অয়েল রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করে দেশটি।

এদিকে, রমজানে তেলের বাজার ছিল লাগামহীন। সরকারের বেধে দেওয়া মূল্যে বিক্রি হয়নি সয়াবিন তেলসহ পাম তেল। এতে এক বিভ্রান্তিকর পরিস্থিতিতে পড়তে হয়েছে ভোক্তাদের। খেলে কিনতে হবে তাই চাহিদার চেয়েও কমে তেল কিনতে হয়েছে ভোক্তাদের। তেলের দাম লাগামহীন হওয়াতে দোকানিরা বোতলজাত তেল ড্রামে ঢেলে খোলা সয়াবিনে রুপান্তরিত করে বিক্রি শুরু করে। অপরদিকে বোতলজাত তেলের কৃত্রিম সংকট তৈরি করে। টিসিবির ট্রাকে বোতলজাত তেল মিললেও দোকানে পাওয়াটা দুস্কর হয়ে পড়েছিল।

তবে ভোক্তাদের অভিযোগ ছিল বাজার মনিটরিংয়ের ব্যর্থতার কারণে ব্যবসায়ীরা অধিক লাভের আশায় বিভিন্ন পন্থা অবলম্বন করছে। ফলে টপাটপ তেলের দাম বাড়িয়ে আমাদের থেকে দ্বিগুন টাক হাতিয়ে নিয়েছে। যখন সরকার তেলের মূল্য নির্ধারন করে দেওয়ার পর বাজারে নামে অভিযান। ফলে বাড়তি তেলের দাম নিতে পারেনি তারা। তেলের এমন কৃত্রিম সংকটের ফলেও আসন্ন কোরবানি ঈদের চিন্তার ছাপ ভোক্তাদের চোখে মুখে।

বাংলাদেশে ভোজ্যতেল আমদানিকারকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, নিষেধাজ্ঞার কারণে ইন্দোনেশিয়ায় কমপক্ষে ২০ হাজার টন পাম অয়েল আমদানির চালান আটকে গেছে। কিন্তু নিষেধাজ্ঞা জারির আগেই এসব পাম তেল আমদানির এলসি (ঋণপত্র) খোলা হয়।

এসসি

Advertisement

CTG NEWS