পূরণের পথে নোয়াখালীবাসীর স্বপ্ন , হবে বিমানবন্দর

97
 নিজস্ব প্রতিবেদক |  শুক্রবার, জানুয়ারি ১৪, ২০২২ |  ৫:১৪ অপরাহ্ণ
নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে জেলার সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের উত্তর ওয়াপদা বাজার এলাকায় পূর্ণাঙ্গ বিমান বন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার। উন্নয়নে ধারাবাহিকতায় এ প্রকল্পটি নেয়া হয় বছর দুয়েক আগে। এ জন্য নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে জরুরী ভিত্তিতে সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। দুর্ভাগ্য- তারপরই দেখা দেয় করোনার ছোবল। এলাকাবাসীর মতে- করোনার ছোবল না থাকলে এতদিনে এ প্রকল্পের সমীক্ষা হয়ে যেত এবং এতদিনে অনেকটাই এগিয়ে যেত।
       
Advertisement

নোয়াখালীবাসীর প্রত্যাশা একটি বিমানবন্দর। সেই লক্ষ্যে নোয়াখালীর সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের চর শুল্লুকিয়া গ্রামে ১৬ একর ভূমির ওপর পরিত্যক্ত এয়ারস্ট্রিপকে পূর্ণাঙ্গ বিমানবন্দরে রূপান্তরের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

আজ ১৪ জানুয়ারি, শুক্রবার নোয়াখালীতে ওই অস্থায়ী বিমানবন্দর পরিদর্শন করেছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম মাহবুব আলী। সরকারি উদ্যোগের অংশ হিসেবে তিনি এ পরিদর্শনে যান বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

Advertisement

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নোয়াখালী-৬ (হাতিয়ার) সংসদ সদস্য আয়েশা ফেরদৌস, জেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক অধ্যক্ষ খায়রুল আ ন ম সেলিম চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মোকাম্মেল হোসেন, বাংলাদেশ ট্যুরিজম বোর্ডের প্রধান নির্বাহী জাবেদ আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ খোরশেদ আলম খান, প্রধানমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সহকারী মো. জাহাঙ্গীর আলম প্রমুখ।

পরিদর্শনে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মন্ত্রণালয় থেকে এর আগেও বিমানবন্দরের স্থানটি পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে আমার আজ আবারও পরিদর্শনে এসেছি।রানওয়েসহ পুরো এলাকাটি আমরা ঘুরে দেখেছি। আমরা নোয়াখালীবাসীর প্রত্যাশা পূরণের চেষ্টা করছি।’

উল্লেখ্য, নোয়াখালীবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন পূরণ করতে জেলার সদর উপজেলার ধর্মপুর ইউনিয়নের উত্তর ওয়াপদা বাজার এলাকায় পূর্ণাঙ্গ বিমান বন্দর নির্মাণের উদ্যোগ নেয় বর্তমান সরকার। উন্নয়নে ধারাবাহিকতায় এ প্রকল্পটি নেয়া হয় বছর দুয়েক আগে। এ জন্য নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়কে জরুরী ভিত্তিতে সমীক্ষা প্রতিবেদন তৈরি করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। দুর্ভাগ্য- তারপরই দেখা দেয় করোনার ছোবল। এলাকাবাসীর মতে- করোনার ছোবল না থাকলে এতদিনে এ প্রকল্পের সমীক্ষা হয়ে যেত এবং এতদিনে অনেকটাই এগিয়ে যেত।

এসসি

 

Advertisement

CTG NEWS