দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়ায় বাধা, সংঘর্ষে ৬ পুলিশ আহত

84
 নিউজ ডেস্ক |  শুক্রবার, জানুয়ারি ৭, ২০২২ |  ৭:০৫ অপরাহ্ণ
দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়ায় বাধা, সংঘর্ষে ৬ পুলিশ আহত
       
Advertisement

যমুনা সার কারখানা এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কন্দ্রে করে পুলিশের সাথে দফায় দফায় ক্ষমতাসীন দলের নেতর অনুসারীদের সংঘর্ষের ঘটনায় পুলিশের ইনচার্জসহ অন্তত ছয় জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। এলাকায় থমথমে পরিবেশ বিরাজ করছে।

আজ ০৭ জানুয়ারি, শুক্রবার সকালে জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার তারাকান্দি যমুনা সার কারখানা এলাকায় এ সংঘর্ষ ঘটে। এ ঘটনায় দু’জনকে আটক করেছে পুলিশ।

Advertisement

জানা গেছে, শুক্রবার সকালে যমুনা সার কারখানা এলাকায় আধিপত্য বিস্তার করতে তারা দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়ায় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিকের অনুসারীদের পুলিশ বাধা দিলেই সংঘর্ষ বাধে। এতে রফিকুল ইসলামের অনুসারীরা ক্ষুব্ধ হয়ে তারাকান্দি পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে হামলা চালান। এসময় তদন্তকেন্দ্রের প্রধান ফটক বন্ধ করে দিলে তারা ওপর দিয়ে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করতে থাকেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফসহ অন্তত ছয় জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত বাকিদের মধ্যে রয়েছেন— উপপরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলম সোহাগ ও সুলতান মাহমুদ, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মেহেদী হাসান এবং পুলিশ কনস্টেবল খোকনুজ্জামান ও সোলায়মান।

পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে অনুসারীদের হামলার অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম রফিক। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি মোবাইল ফোনে জানান, এসব ঘটনায় তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। তাকে জড়িয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও স্থানীয়রা জানান, স্থানীয় সংসদ সদস্য ও সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী ডা. মুরাদ হাসানের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ এনে তার স্ত্রী ডা. জাহানারা এহসান বৃহস্পতিবার (৬ জানুয়ারি) ধানমন্ডি থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করেন। পরে তারা বৃহস্পতিবার রাতভর তারাকান্দি এলাকায় আতশবাজি করেন।

পুলিশ জানিয়েছে, হামলার ঘটনায় তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফসহ অন্তত ছয় জন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন। আহত বাকিদের মধ্যে রয়েছেন— উপপরিদর্শক (এসআই) শফিউল আলম সোহাগ ও সুলতান মাহমুদ, সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মেহেদী হাসান এবং পুলিশ কনস্টেবল খোকনুজ্জামান ও সোলায়মান।

তদন্তকেন্দ্রের ইনচার্জ আব্দুল লতিফ বলেন, একাধিক মামলার আসামী মোর্শেদের নেতৃত্বে ৬০ থেকে ৭০ জন সকাল থেকে কারখানা এলাকায় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে মহড়া দেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। এতে তারা পুলিশের ওপর চড়াও হয়। এসময় রফিক গ্রুপে যুক্ত হওয়া একসময়ের বিএনপি ক্যাডার মোর্শেদকে আটক করা হলে তারা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। এতে আমি নিজে আহত হয়েছি, আরও কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

এসসি

Advertisement

CTG NEWS