কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: প্রধান আসামি শাহ আলম ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত

258
 নিজস্ব প্রতিবেদক |  বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ২, ২০২১ |  ১২:১৪ অপরাহ্ণ
কাউন্সিলর সোহেল হত্যা: প্রধান আসামি শাহ আলম ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত
       
Advertisement

কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের (কুসিক) কাউন্সিলর সৈয়দ মোহাম্মদ সোহেল ও আওয়ামী লীগ কর্মী হরিপদ সাহাকে হত্যা মামলায় প্রধান আসামি শাহ আলম (২৮) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

বুধবার (১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত দেড়টার দিকে কুমিল্লা সদর উপজেলার চাঁনপুরস্থ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) ও থানা পুলিশের সঙ্গে এই বন্দুকযুদ্ধের ঘটনা ঘটে। শাহ আলম নগরীর ১৬ নম্বর ওয়ার্ডের সুজানগর পূর্বপাড়া এলাকার মৃত জানু মিয়া ছেলে। এ সময় ৭.৬৫ মডেলের একটি পিস্তল উদ্ধার করেছে পুলিশ।

Advertisement

বিষয়টি নিশ্চিত করে কুমিল্লা জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) পরিমল দাস বলেন, ‘বুধবার গভীর রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অস্ত্রধারীদের ধরতে চাঁনপুরস্থ গোমতী নদীর বেড়িবাঁধ এলাকায় জেলা ডিবি ও কোতোয়ালি থানা পুলিশের একাধিক দল অভিযান পরিচালনা করে। এ সময় পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে সন্ত্রাসীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে থাকে। পুলিশও আত্মরক্ষায় পাল্টা গুলি চালায়। উভয় পক্ষের মধ্যে গোলাগুলির একপর্যায়ে কয়েকজন দুষ্কৃতিকারী পালিয়ে যায়।’

তিনি আরও বলেন, ‘গুলিবর্ষণ শেষে ঘটনাস্থলে অস্ত্রসহ একজনকে গুলিবিদ্ধ অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরে স্থানীয়রা তাকে শাহ আলম বলে শনাক্ত করে। এ সময় আহত শাহ আলমকে উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। গোলাগুলিতে পুলিশের ২ সদস্য আহত হন। আহত পুলিশ সদস্যদের চিকিৎসার জন্য পুলিশ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। শাহ আলমের মরদেহ কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রয়েছে বলেও জানান তিনি।’

এর আগে গত সোমবার দিবাগত গভীর রাতে মামলার ৩ নম্বর আসামি সাব্বির রহমান (২৮) ও মামলার ৫ নম্বর আসামি সাজন (৩২) পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে নিহত হয়েছিলেন।

উল্লেখ্য, গত ২২ নভেম্বর বিকেল ৪টার দিকে নগরীর পাথরিয়াপাড়া থ্রি স্টার এন্টারপ্রাইজে কাউন্সিলর কার্যালয়ে সন্ত্রাসীদের গুলিতে নিহত হন কাউন্সিলর সোহেলসহ দুজন। কাউন্সিলর সোহেল কুমিল্লা মহানগর আওয়ামী লীগের সদস্য ও ওই ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ছিলেন। নিহত হরিপদ সাহা নগরীর ১৭নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সদস্য এবং সাহাপাড়া এলাকার বাসিন্দা। জোড়া খুনের ঘটনায় গত ২৩ নভেম্বর রাতে কাউন্সিলর সোহেলের ছোট ভাই সৈয়দ মো. রুমন বাদী হয়ে ১১ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা আরও ৮ থেকে ১০ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

এনইউএস

Advertisement

CTG NEWS