হাতুড়ি দিয়ে পেটানোই স্টাইল যার তিনিই হলেন গোলজার!

504
 নিজস্ব প্রতিবেদক |  মঙ্গলবার, জুলাই ২০, ২০২১ |  ১২:৩৯ অপরাহ্ণ
       

সব সময়ই পকেটে পিস্তল ও হাতে হাতুড়ি রাখেন তিনি। কেউ কথার অবাধ্য হলেই তাকে হাতুড়িপেটা করেন। আবার কারও সঙ্গে বাকবিতণ্ডা হলেও তাকে ভাড়া করে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে তিনি তার স্টাইলে হাতুড়ি দিয়ে পেটান প্রতিপক্ষকে। গোলজার আলম প্রকাশ পিস্তল গোলজার নামে এলাকার তালিকাভুক্ত এক নম্বর এই সন্ত্রাসীকে অস্ত্র, গুলি ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার করেছে ডবলমুরিং থানা পুলিশ।

১৯ জুলাই, সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় ডবলমুরিংয়ের দাইয়াপাড়া থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়। এসময় তার কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি পাইপ গান, এক রাউন্ড গুলি ও ১০৫ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র, মাদক, ছিনতাই, চাঁদাবাজি, হত্যাচেষ্টা, বিস্ফোরকসহ সিএমপির বিভিন্ন থানায় ১৫টি মামলা রয়েছে।

Advertisement

গোলজার ডবলমুরিং থানা যুবদলের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক। গ্রেফতারকৃত সন্ত্রাসী গোলজার (৩৯) একই এলাকার আছিয়া বাপের বাড়ির মো. মুছার ছেলে।

পুলিশ জানায়, গোলজার চট্টগ্রামের তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং ডবলমুরিং থানার তালিকাভুক্ত ১ নম্বর আসামী। তিনি ডবলমুরিং এলাকার ত্রাস। চুরি থেকে শুরু করে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, মাদকসহ বিভিন্ন অপরাধে তিনি জড়িত। এমনকি ভিক্ষুকের কাছ থেকেও ২০ টাকা চাঁদা নেন তিনি। আবার ২০০ টাকা দিলেই যে কাউকে গিয়ে মেরে আসেন। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোমবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় দাইয়াপাড়া থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

পুলিশ আরো বলেন, গোলজার সবসময়ই পকেটে পিস্তল ও হাতে হাতুড়ি রাখে। যখন তখন যাকে তাকে গুলি করে সে। ২০১৮ সালে ডিশ ব্যবসাকে কেন্দ্র করে টিপু ও সগীর নামে দুই জনকে গুলি করে গোলজার। ২০১৩ সালে পুলিশকে লক্ষ্য করেও গুলি করে সে।

ডবলমুরিং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন বলেন, গোলজার ডবলমুরিং এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা। টেকনাফ থেকে আনা ইয়াবা সে খুচরা বিক্রি করে। এজন্য তার ৩ জনের একটি বিক্রয় প্রতিনিধি দলও আছে। কমিশনের ভিত্তিতে তারা গোলজারের ইয়াবা বিক্রি করে। তার বিরুদ্ধে ডবলমুরিং থানায় ইতোপূর্বেও মাদক আইনে ২টি মামলা রয়েছে। তার বিরুদ্ধে অস্ত্র ও মাদক আইনে পৃথক দুটি মামলা দয়ের করা হয় বলেও জানান তিনি।

এনইউএস/কেএন

Advertisement